Close Menu
Protibad News
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Protibad News
    • Home
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • শিক্ষাঙ্গন
    • খেলা
    • বিনোদন
    Protibad News
    জাতীয়

    বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে নজিরবিহীন জালিয়াতি, প্রথম সেমিস্টার শেষে যেভাবে ধরা পরল ভুয়া ছাত্রী

    By নিউজ ডেস্কJuly 27, 2026 6:42 PMNo Comments5 Mins Read
    Share Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Copy Link

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে নজিরবিহীন ভর্তি জালিয়াতির কথা জানা গেছে। প্রথম সেমিস্টারে ক্লাস ও পরীক্ষার পর রেজাল্ট শিট বানানোর সময় এক ভুয়া শিক্ষার্থী ধরা পরেছে। দুই সপ্তাহ আগে এ বিষয়ে জানা গেলেও এখনও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। এমনকি গঠিত হয়নি কোনো তদন্ত কমিটিও। এতে অভিযুক্তরা পার পেয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

    জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ২৪১০১০৪ রোলধারী শিক্ষার্থী শামিমা আক্তার জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা সম্পন্ন করে। রেজাল্ট তৈরি করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত সফটওয়্যারে তার রোল নম্বর খুঁজে পাওয়া যায় না। তখন বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জালিয়াতির ঘটনার কথা জানতে পারে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কমিটি।

    গত ১১ জুলাই বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করে পরীক্ষা কমিটি। মিটিং পরবর্তী বিষয়টি বিভাগীয় সভাপতিকে জানালে একইদিনে জরুরি মিটিং ডাকা হয়। জরুরি মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেন বিভাগের সভাপতি। সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ভর্তি সংক্রান্ত কোনো নথি বিভাগীয় ও একাডোমিক শাখায় না পাওয়ায় তার পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া বিভাগের সংশ্লিষ্ট স্টাফদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া হয়। বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা হলেন- ইসরাত জাহান (সুইটি) ও মুরাদ হোসেন।

    সূত্র জানায়, ওই শিক্ষার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বা একাডেমিক শাখা বরাবর কোনো চিঠি ইস্যু করেনি বিভাগটি। বরং বিভাগের স্টাফের মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিকভাবে তথ্য যাচাইয়ের পন্থা অবলম্বন করে। এমন গুরুতর ও স্পর্শকাতর জালিয়াতির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত না করে বিভাগের সংশ্লিষ্টরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি রহস্যজনক মনে করছেন অনেকে।

    বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রায় দুই সপ্তাহ পর এটি প্রকাশ হয়। ছাত্রত্ব না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক শিক্ষার্থী বিভাগে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা দিয়েছে, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, এর পেছনে একটি বড় জালিয়াতচক্র কাজ করছে এবং তাদেরকে সহায়তা দিচ্ছেন দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থান করা বিভাগীয় কতিপয় ব্যক্তি। তাদের চাপেই বিভাগ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

    বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ায় সর্বশেষ নিবন্ধিত রোল ছিল ২৪১০১০৩ (রেজিস্ট্রেশন নং: ২৪০০০৮৩৩)। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত এই তালিকায় উক্ত শামিমা আক্তারের কোন নাম, রোল ছিল না। পরে একাডেমিক শাখা থেকে এই চূড়ান্ত তালিকাটি যথারীতি ইংরেজি বিভাগে প্রেরণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী এই তালিকা ধরেই শিক্ষার্থীদের বিভাগে নথিভুক্ত করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, মূল জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটে এই বিভাগীয় পর্যায়েই।

    ইংরেজি বিভাগের অফিশিয়াল কম্পিউটারে জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪১০১০৪ রোল নম্বর দিয়ে শামিমা আক্তারের নাম অন্তর্ভুক্ত কীভাবে হলো সে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এদিকে ভর্তি হয়ে প্রথম সেমিস্টারের ক্লাস নিয়মিত করেছিলেন অভিযুক্ত শামীমা। এছাড়া যথারীতি ফরম ফিলআপ করে ১ম সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশও নেন তিনি। সব পরীক্ষা সম্পন্ন করলেও বিপত্তি ঘটে পরীক্ষার রেজাল্ট তৈরির সময়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজাল্ট প্রসেসিং সফটওয়্যারে তার রোল নম্বরই খুঁজে পায় না পরীক্ষা কমিটি। এতেই ফাঁস হয়ে যায় জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার বিষয়।

    পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ড. মামুনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সমস্যাটি লিখিতভাবে বিভাগীয় সভাপতিকে অবগত করলে জরুরি সভার আয়োজন করে বিভাগ। সবার আলোচনার ভিত্তিতে বিভাগ সিদ্ধান্ত নেয়।

    এসব সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক দপ্তরে অবগত করা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বিভাগকে জানিয়েছি। তবে এ বিষয়ে আর কি করা যায়, সে জন্য আজকে বিভাগের সভাপতি ও সিনিয়র শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি মিটিং করা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয় আমরা এসব বিষয়ে উপাচার্যকে অবগত করব।

    সূত্র জানায়, রোববার (২৬ জুলাই) জরুরি মিটিংয়ে গত ১১ জুলাই জরুরি সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত উপাচার্যকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া বিভাগে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে নিয়োজিত ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইসরাত জাহান ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান মুরাদ হোসেনের কাছে অতীতের বিষয়ে সুস্পষ্ট লিখিত বক্তব্য আহ্বান করার সিদ্ধান্ত হয়।

    এ বিষয়ে বিভাগের উপ-রেজিস্ট্রার ইসরাত জাহান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী এক বান্ধবীকে নিয়ে আমার কাছে এসে বলে, সে অনেকদিন ধরে ক্লাস করছে, কিন্তু নাম এন্ট্রি হয়নি। আমি বললাম, তুমি কি কোটায় ভর্তি হয়েছ? তখন সে বলে, মুক্তিযুদ্ধ কোটায় ভর্তি হয়েছি। আমি বললাম, তোমাকে তো দেখে মনে হয় না বাবার কোটা। তখন সে বলে, আমার দাদার কোটায় ভর্তি হয়েছি। তখন সে বলল, আমার রোল নম্বর ২৪১০১০৪ হবে।

    এ বিষয়ে তার বান্ধবী জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অনেক আগে থেকেই ক্লাস করছে। মিথ্যা কথা বলে যে আমার সঙ্গে এমন কিছু করবে, তা আমি ভাবতেও পারিনি। আর ভেরিফিকেশন না করায় আমার ভুল হয়েছে। কিন্তু এটাকে গাফলতি বলে কিনা আমি জানি না।

    এ ব্যাপারে জানার জন্য অভিযুক্ত শামিমা আক্তারকে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

    বিভাগের সভাপতি ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, পরীক্ষা কমিটি বিষয়টি অবগত করলে গুরুতর ইস্যু হিসেবে জরুরি সভার আয়োজন করি। এতে বিভাগের শিক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল ও বিভাগের সংশ্লিষ্ট স্টাফদের কাজে আরও সতর্কতার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা। এছাড়া দু’জন স্টাফকে সতর্ক করে দেয়ার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়।

    স্টাফদের গাফিলতিতে তদন্ত করা উচিত কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সভায় আসছিল, তখন অনেকেই যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বলেছে। এ জন্য বিভাগে কমিটি করা যায় কি-না, সে ব্যাপারেও কথা উঠে। তখন বৈঠকে সিনিয়র একাধিক শিক্ষকের থেকে মতামত আসে, যেহেতু শিক্ষার্থী প্রথম এন্ট্রিতেই ধরা পড়েছে এবং তাকে কোনো ধরনের সার্টিফিকেট না দেয়ার ফলে মানবিক বিবেচনায় স্টাফদের এ গাফিলতির জন্য সতর্কতা দেয়ার। পরে সর্তক করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    সর্বশেষ জরুরি সভার বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিষয়ে ১১ জুলাই ও ২৬ জুলাই বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ জানতে চাইলে উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, তদন্তের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা নিবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া শিক্ষার্থী ভর্তির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ভর্তি বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে যায় অভিযুক্তরা। অভিযোগ রয়েছে, জালিয়াতির বিষয়গুলো কোনো এক রহস্যজনক কারণে জালিয়াতচক্রের মাধ্যমে বিভাগেই ধামাচাপা পড়ে যায়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Copy Link
    Previous Articleরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারকে চিঠি, যা জানালো ইসি
    Next Article মাইক্রোপ্লাস্টিক কী, টুথপেস্টের মাধ্যমে কীভাবে শরীরে প্রবেশ করে?

    Related Posts

    প্রতিমন্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি/ভিডিও এআই সৃষ্ট নয়; মিডিয়ায় অসত্য তথ্য

    July 29, 2026 7:52 PM

    ১৪৪ ধারা জারি, তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    July 29, 2026 7:22 PM

    এক উপজেলার ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

    July 29, 2026 2:55 PM
    Latest News

    ‘প্রতিমন্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও এআই সৃষ্ট নয়’ বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

    আবারও যে কারণে গ্রেপ্তার হলেন আলীগের সাবেক মন্ত্রী

    এনসিপি-জামায়াত নেতাসহ ১৫ জনের নামে মামলা

    প্রতিমন্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি/ভিডিও এআই সৃষ্ট নয়; মিডিয়ায় অসত্য তথ্য

    জামায়াত ছেড়ে কোথায় যাচ্ছে এনসিপি? যা জানা গেল

    ১৪৪ ধারা জারি, তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    Facebook X (Twitter) Instagram
    © 2026 Protibad News

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.