হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত আলিফ চৌধুরীকে (১৯) ঢাকায় আনা হচ্ছে। বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে অতি দ্রুত জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নিতে বলা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতেই জাতীয় ছাত্রশক্তির হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা কমিটির সংগঠক আলিফ চৌধুরীকে জেলা সদর হাসপাতাল থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
মঙ্গলবার এনসিপির জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হন আলিফ। ওই সময় রড দিয়ে তার চোখ বরাবর আঘাত করা হয়। এর ফলে আলিফ চৌধুরী দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করেছেন চিকিৎসকরা।
শ্রীমঙ্গলে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ
এ বিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, ১৯ বছরের একটি ছেলের চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় বসে আওয়ামী লীগের মতো করে বিরোধী দলের ওপর হামলা করছে। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
মঙ্গলবারের ওই হামলার ঘটনায় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ছাড়াও কেন্দ্রীয় সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্য সচিব ও সদর পৌরসভার মেয়রপ্রার্থী মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন (৪৪), অ্যাডভোকেট ফারুক উদ্দিন আহমেদ শফি (৪৮), আসলাম হোসেন (৪২), নবীর হোসেন হৃদয় (৩১), নজরুল আমিন (২৮), আরিফ আজাদ (২৮), আকলিমা আক্তার রুমী (২৭), দেওয়ান রোহান (২৬), মোশাররফ হোসাইন (২৯), ইউসুফ আহমেদ (২৮), লুৎফর রহমান (২৬), নূর আলম (২২), আরাফাত সানী (২৩), জিসান আহমেদ (১৫) আহত হন। ঘটনার পর তাদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।
এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত বলেন, মঙ্গলবার হবিগঞ্জে বিএনপির সন্ত্রাসীরা এনসিপি নেতাদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আবারও প্রমাণ করেছে, তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করতে চায় না। তারা ফ্যাসিবাদী আমলের রাজনীতিই করছে।

